আইনের পোষাক পরে নিরীহ মানুষের রক্ত নিয়ে খেলা বন্ধ করুন: মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক

আজ ০৩ জুন রবিবার বিকাল ০৪ টা থেকে পুরানা পল্টনস্থ বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস (খ শাখা) ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ০৩ টার পর থেকেই সংগঠনের দায়িত্বশীল, কর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হতে থাকেন। ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফয়সাল মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব মজলিস সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব মজলিস ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা রাকিবুল ইসলাম ও যুব মজলিস (খ শাখা) কেন্দ্রীয় সভাপতি আল আবিদ শাকির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, পবিত্র কোরআন নাযিলের এ মাসে সকলকে কোরআনের শিক্ষা গ্রহণ করে আপন সত্ত্বা, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে ঐশি আলোয় আলোকিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, এ মাসে মানবতার মুক্তির অসংখ্য বিজয় অর্জিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অন্যায় অবিচারের যে হলি খেলা চলছে তা থেকে মুক্তির জন্য খেলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই। এ সময় তিনি বাংলাদেশ সরকারের মাদক বিরোধী অভিযানকে সাধুবাধ জানিয়ে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের কড়া সমালোচনা করে বলেন, আইনের পোষাক পরে নিরীহ মানুষের রক্ত নিয়ে খেলা বন্ধ করুন। জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা জহিরুল ইসলাম, ক্বারী হুসাইন আহমাদ, মাওলানা ফযলুর রহমান, যুব মজলিস (খ শাখা) এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, সাবেক সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা হাশমতুল্লাহ প্রমুখ।

ফেসবুকে আমরা

ভোট একটি আমানত
করবো না তার খেয়ানত

প্রিয় দেশবাসী !
দায়িত্ববোধ প্রত্যেক সুনাগরিকের বৈশিষ্ট্য। ইসলামও এই বিষয়ে অনেক গুরুত্বারোপ করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি বলেছেন, ‘তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। (সহীহ বুখারী) প্রচলিত ব্যবস্থায় জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে দেশ-জাতি ও ধর্মের কল্যাণকামী দল ও ব্যক্তিকে নির্বাচন করা প্রত্যেক ভোটারের দায়িত্ব।